Logo Design

আইসিটি শিক্ষক মোদাচ্ছেদ’র বিরুদ্ধে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ

2 minutes

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝিনাইদহঃ


ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা আব্দুর রউফ ডিগ্রী কলেজে আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত ৩০০ টাকা করে ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংম্লিষ্ট শিক্ষক মোদাচ্ছেরের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।প্রতি বছরই এ অনিয়ম যেনো এখানে শিক্ষক মোদাচ্ছেরের কারণে বৈধ নিয়মে পরিনত হয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, আব্দুর রউফ ডিগ্রী কলেজে এ বছরও প্রায় ৫০০ জনের মতো ছাত্র ছাত্রী এইস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এসব শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিবারের ন্যায় এবার উল্রেখিত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে ভূক্তভোগিরা জানান।আর এ অনৈতিক অর্থ হাতানোর বিষয়টি   আব্দুর রউফ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ জে এম রবিউল ইসলাম জানেন, তা অধ্যক্ষ প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ ভূক্তভোগী ও এলাকাবাসীদের।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোদাচ্ছের’র  কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত ৩০০ টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই। তিনি আরোও বলেন, তার কাছে যারা প্রাইভেট পড়ে তাদের কাছ থেকেই শুধু তিনি টাকা নিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল নাম্বার দেবেন না এমন ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি সবাইকে টাকা দিতে বাধ্য করেন। এবিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলে, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।

অথচ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রাইভেট নয় বরং তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকেই অতিরিক্ত ৩০০ করে টাকা নিয়েছেন। এবং গত প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় সকল শিক্ষার্থী পূর্বেই পরীক্ষার সকল ফিস পরিশোধ করার পরেও মোদাচ্ছের স্যার প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার কথা বলে একটি প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নিয়েছেন এবং এই পরীক্ষা বাবদ তিনি আবার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে তুলেছেন। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নটিও ফেরৎ নিয়ে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষসহ সবাই বিষয়টি জানেন কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।

  • Save
ডাকবাংলার অভিযুক্ত শিক্ষক মোদাচ্ছেদ

এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ জে এম রবিউল ইসলাম এর কাছে থেকে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে জানান, আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ টাকা নেওয়ার কোন নীতিমালা নেই,। যদি ছাত্র -ছাত্রীরা অভিযোগ করেন তাহলে বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবশ্য যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক এফ রব্বানী বলেন, এ ধরনের টাকা নেওয়ার এখতিয়ার কোন শিক্ষকের নেই।  কলেজ গভর্নিং বডি এবং অত্র কলেজের অধ্যক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে  ইচ্ছে করলেই কঠোর নিতে পারেন।

তাছাড়া  সু – নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে এমন টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই এবং তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি। আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মোদাচ্ছের’র এমন অনিয়ম আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র -ছাত্রীরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap