আওয়ামী লীগ নেতাদের চরিত্রহননের চেষ্টায় নেমেছে কিছু কুচক্রী মহলঃ বিএম মোজাম্মেল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক কাইফ:

  • Save

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিএম মোজাম্মেল হকের সম্পদের বিবরণ চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন এমন খবর ছড়িয়েছে বিভিন্ন অন লাইন ভিত্তিক গণমাধ্যমে। খবরের সত্যতা জানতে চাইলে বিএম মোজাম্মেল হক বলেন এবিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আর দুদক থেকে আমার সাথে কোন যোগাযোগও করে নাই। বিএম মোজাম্মেল হক মনে করেন কিছু কুচক্রী মহল আওয়ামী লীগ নেতাদের চরিত্র হননের মিশনে নেমেছে এটি তারই অংশ। আমরা এসকল অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রকরীদের কোঠার হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দুঃসময়ে দলের হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন বি এম মোজাম্মেল হক। দলের জন্য সংগ্রাম করেছেন, আন্দোলন করেছেন, রাজপথে নেমেছেন বারবার।

সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে জনাব, বি এম মোজাম্মেল হক কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক,লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে ১৯৮৩সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক, ১৯৮৯-১৯৯২ সময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
১৯৯২ সালে প্রথমে শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে ১ অক্টোবরের নির্বাচনের পরে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে সদস্য হিসেবে কো- অপ করা হয়।২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই পর্যন্ত উক্ত পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেন।(এখানে উল্লেখ্য ১ ইলেভেন সরকারের সময় আওয়ামী লীগের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা গ্রেফতার হলে জাতীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ যখন নেত্রীর বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন করেন তখন তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রায়ত রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধেয় জিল্লুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রায়ত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনে সমস্ত রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন)২০০৯ সালের ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে পুনরায় দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০ তম জাতীয় কাউন্সিলে ৩য় বারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দক্ষতা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন আজ অবধি।

বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টালের প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএম মোজাম্মেল হক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap