Logo Design

আশুলিয়ায় যুবলীগ নেত্রী মণিকার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ

2 minutes

সুচিত্রা রায়, আশুলিয়া, ঢাকা থেকেঃ

ঢাকা সাভারের আশুলিয়ায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী মনিকা হাসানের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আশুলিয়ার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও চলছে নানা গুঞ্জন । এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও তাকে নিয়ে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের (হটলাইন নং-৪৩১ সূত্র-৪৪.০৪.০০০০.০০৬.২১.০০২.১৫.৪৫৯ তাং-২০/১২/২০১৫) অপারেশন ও গোয়েন্দা শাখার ডিআইজি (পিপিএম), এনডিসি তৎকালীন পরিচালক সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন স্বাক্ষরিত ০৪/২০১৭ নং অভিযোগপত্রে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নিদের্শ প্রদান করেন । অভিযোগ পত্রে অভিযুক্তদের মধ্যে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার শামীমের স্ত্রী মনিকা হাসানকে ইয়াবার ডিলার হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

  • Save
অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী মণিকা

এতে অন্যান্য অভিযুক্তদের মধ্যে মনিকার ভগ্নিপতি মধ্য গাজীরচটের ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে আফজাল হোসেন (ইয়াবা/ফেনসিডিল ব্যবসায়ী), একই এলাকার মনিকার খালা ও প্রতিবেশী তারাজ উদ্দিনের স্ত্রী আয়শা বেগম (ইয়াবা ব্যবসায়ী), দক্ষিণ বাইপাইলের বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী ও মনিকার খালাতো বোন নার্গিস (ইয়াবা ব্যবসায়ী), গাজীরচট এলাকার সারি উদ্দিনের ছেলে ও মনিকার মামাতো ভাই জাহিদ (ইয়াবা/ফেনসিডিল ব্যবসায়ী) এবং গাজীরচট মধ্যপাড়া এলাকার মনিকার খালু রনিকে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। 

সূত্র আরো জানায়, ২০১৪ সালের আশুলিয়া থানার মাদক মামলা নং-১৩(৯)১৪ এতে মনিকার খালা আয়শা এজারহারভুক্ত আসামী, আশুলিয়া থানার ৩৭ (৮) ১৭ নং মাদক মামলায় মনিকার আপন মামী নাজমুন নাহার, মামা কাজল ও তার দুলাভাই আফজাল আসামী। আশুলিয়া থানার ৫৩(৭) ১৭ নং মাদক মালায় যুব মহিলা লীগের নেত্রী মনিকার বড় মামা আমিন উদ্দিন ও তার বাবা আব্দুল মজিদ আসামী ছিলেন। একই থানার ৫৫ (১১ ) ১৭ নং মাদক মালায় তার আপন খালু শহীদ ভূঁইয়া, একই সনের ২৬(৬)১৭ নং মাদক মালায় তার খালাতো বোন জামাই জসিম উদ্দিনসহ তার স্বজনদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি আসামী ছিলেন। এছাড়া  ৮৯(৪)১৮ নং মাদক মামলায় মনিকার খালাত ভাই রাজু মিয়া, মামাতো ভাই জাহিদ এজাহারভুক্ত আসামী।

এছাড়াও ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর. ১৫৩/১৯ নং মামলায় তার পরিবারের সকল সদস্যকে আসামী উল্লেখ করে মামলা করেন এক ভূক্তভোগী। মামলা ছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষকে হুমকিসহ একাধিক কারণে তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় বেশ কয়েকটি জিডি করেন ভুক্তভোগীরা।

আশুলিয়া থানা যুব মহিলা লীগ পরিচয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ঐ নেত্রী। সম্প্রতি ঢাকা জেলা যুবমহিলা লীগের নেত্রীরা তার এসব অপকর্মের দায়ে তাকে বাদ দিয়ে আশুলিয়া থানা যুবমহিলা লীগের একটি পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। 

এ বিয়য়ে আশুলিয়ায় যুবমহিলা লীগ নেত্রী মনিকা হাসান মুঠোফোনে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিমুলক তথ্য দিচ্ছে। শিগগিরই যুব মহিলা লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা। ওই গ্রুপটি আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap