Logo Design Logo Design Logo Design

কোটচাঁদপুরে কুশনা ইউনিয়নকে করোনা ভাইরাস, ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত রাখতে চাই ইউপি সদস্য বি এম নাসির উদ্দিন।

2 minutes

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:
রোকনুজ্জামান (ঝিনাইদহ) কোটচাঁদপুর থেকে –

  • Save

ঝিনাদহের কোটচাঁদপুরে করোনা মহামারি সংকটের মধ্য থেমে নেই ইউপি সদস্য এ বি এম নাসির উদ্দিন,করছেন সাধারণ অসহায় দিনমুজুর গরিবদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরন। করোনা ভাইরাস থেকে তার জালালপুর এলাকা কে বাঁচাতে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সবসময় নানান পরামর্শ দিচ্ছেন। দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আসার পর থেকে উপজেলার কুশনা ইউনিয়নে প্রতিটা মসজিদ,বাজার টিউবওয়েলে সাবান বাধা থেকে শুরু করে, সাধারণ অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মাঝে (২) হাজার মানুষকে মাক্স, (১০০) শত পরিবারের মাঝে চাউল, ডাল,আলু, তেল,পিয়াজ,লবণ ও সাবান বিতরন করেছেন। বর্তমানে তিনি কোটচাঁদপুর সেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা যুগ্ম আহবায়ক ও সভাপতি জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের।

উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের জালালপুর ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এ বি এমন নাছিরের সাথে একান্তু সাক্ষাৎ কারে তার নির্বাচনি একালার করোনা পরিস্তিতি ও ত্রাণসামগ্রী বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাদেরকে জানান, বর্তমানে করোনা ভাইরাস সারাবিশ্বের সাথে, সাথে আমাদের দেশেও ছড়িয়েছে। তারি পরিপেক্ষিতে যখন লকডাউন করা হয়েছিলো সাধারণ মানুষ তখন যেনো না খেয়ে মারা না যাই, তাদের খাবারের ব্যাবস্তা করেছি নিজের অর্থায়নে। আমার নির্বাচিত এলাকা জালালপুর ৫০০ (পাঁচশত) পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরন করেছি।

তিনি আরো বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উপজেলার কুশনা ইউনিয়ন বাসিকে ঘূর্ণিঝড় আমফানে টিনের ঘর বাড়ি উড়ে যাওয়া মানুষদের পাশে দাড়িয়েছে । এছাড়া ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস ও কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুন্নেছা মিকি, কুশনা ইউনিয়নের মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন (কুয়েত প্রবাসী) সবার সার্বিক সহযোগিতায় ১০০ (একশত) গরীব দুখী অসহায় মেহনতী মানুষের মাঝে নগদ অর্থ সহযোগিতা করেছি ইউনিয়নের ১৭ টি গ্রামে। এবং আমার ওয়ার্ডের প্রতিটা পরিবারকে আমি ত্রাণসামগ্রী দিয়েছি। কারন অনেকে আছে মধ্যবিত্ত তারা চাইতে পারেনা দেখেও বোঝা যায়না ,তাদেরকে ও আমি সাহায্য করেছি। প্রতিটা পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে। এবং প্রধানমন্ত্রী সরকারি অনুদান জেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান দের কাছ থেকেও সংগ্রহ করেছি গরিবদের মাঝে কিছু ডালভাত দেবো বলে। তারাও আমার কাছে ১০০ (একশত) পরিবারের মাঝে খাবার দিয়েছে। এবং আমার ওয়ার্ডে (২৫০) জন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণ পেয়েছে। সব মিলিয়ে মানুষ এখন একটু ভালো আছে এবং আমি চাই সব সময় মানুষের পাশে দাড়াতে।

এ সময় কিছু সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা আমাদের জানান, এ বি এম নাসির মেম্বর আমাদের এক ভালোবাসার প্রিয়ো মানুষ। সে তার নিজের কথা মনে হয় কখনো ভাবেনা।সব সময় জনগোনের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আমারা কি ভাবে ভালো থাকবো সব সময় সেই চেষ্টা করেন তিনি। করোনা ভাইরাস আসার পর থেকে মেম্বর নাসির আমাদের অনেক সাহায্য করেছে যা আমরা কখনো ভুলতে পারবো না। আমাদের মাঝে অনেক ত্রাণসামগ্রী দিয়েছে।

পরে এ বি এম নাসির করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাচতে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap