কোটচাঁদপুরে ক্ষুধার যন্ত্রণায় এক হোটেল বাবুর্চির আত্মহত্যা

< 1 min read

কোটচাঁদপুর থেকে আব্দুল আলিম:

  • Save

ক্ষুধার জ্বালা এবং পরিবারের মুখে খাবার দিতে না পারাই ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ৩নং কুশনা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড তালসার মাঝের পাড়ার শ্রী বিশ্বজিৎ কুমার পিতা মৃত হারান চন্দ্র গড়াই আত্মহত্যার মতো মহাপাপকে বেঁচে নিয়েছিলেন। সরজমিনে গিয়ে জানতে যায় এমন ঘটনা। সংবাদকর্মিরা বিশ্বজিৎ এর কাছে জানতে চাইলে বলেন, কি করব আমি কালীগঞ্জে এক হোটেলে বাবুর্চির কাজ করতাম পরিবার নিয়ে ভালোই ছিলাম। কিন্তু করোনাভাইরাস এর কারনে সারাদেশ লকডাউন হলে মালিক হোটেল বন্ধ করে দেয়, প্রায় দুইমাস বসে আছি ঘরে যা ছিল সব শেষ হয়ে গেছে, গতদুই দিন ধরে পরিবার নিয়ে না খেয়ে আছি।সরকার নাকি মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দিচ্ছেন, আমি এখনো কোন কিছুই পেলাম না। প্রতিবেদক জানতে চাইলেন আপনি কি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কোন ত্রাণ সহোযোগিতা পান নাই তিনি বলেন তিনবার ভোটের আইর্ডি কার্ড দিয়েছিলাম ওয়ার্ড মেম্বার বাসার এর কাছে, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন ত্রাণ সহোযোগিতা পান নাই। এছাড়াও একই এলাকার শতশত গরিব খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাহাকারের চিত্র কেও সরকারি ত্রাণ সাহায্য পাচ্ছেন না।
নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এক জন বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে যথেষ্ট সাহায্য সহোযোগিতা করলেও আমরা কেন সেই সুবিধা পাচ্ছি না, এক বিশ্বজিৎ নয় এই গ্রামের অনেক মানুষ ক্ষুধার জ্বালাই ধুকে ধুকে মরছে করোনা ভাইরাস এ মানুষ কতোটা মরবে জানি না তবে বিশ্বজিৎ এর মতো হাজারো মানুষ না খেতে পেয়ে মরবে,এলাকাবাসী দাবী মাননীয় ডিসি মহোদয় সরোজ কুমার নাথ, যেন এই বিষয়টি উপর একটু নজর রাখেন, না হলে ক্ষুধার জ্বালাই অনেকে আত্মহত্যার মতো জঘন্য পাপে লিপ্ত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap