Logo Design

দেশের ভূঁইফোড় ৯৫% প্রেসক্লাবই অবৈধ।।মূল লক্ষ্য ধান্দালী দালালী তদবির আর চাঁদাবাজী

2 minutes
  • Save

সাংবাদিক সজীব আকবরঃ

দেশের ৬৪ জেলা ও উপজেলাসহ হাটে বাজারে গড়ে ওঠা সাইনবোর্ড সর্রস্ব ৯৫ শতাংশ প্রেসক্লাবই হলো শতভাগ অবৈধ।জেলার বাইরে থানা ইউনিয়ন ও হাটে বাজারে হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা এসব কথিত প্রেসক্লাবের নেই কোনো অনুমোদন, নেই গঠনতন্ত্র, নেই কোনো স্বচ্ছতা।এমনকি খোদ তথ্য মন্ত্রনালয় , জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ সুপার, ডিবি , ডিএসবি, এনএসআই, ডিজিএফআইসহ ডিএফপির কাছেও এর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।

  • Save

প্রেসএ্যাক্ট বা সাংবাদিকতার সঠিক সঙ্গা জানেনা ৯৯%। এসব প্রেস ক্লাবের কথিত সংবাদদাতারা জানেনা সংবাদ কিভাবে লিখতে হয়, একটা সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে কি কি তথ্য উপাত্য থাকা দরকার, তাও জানেনা এসব কথিত প্রেসক্লাবের পদ পদবীধারী “ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দাররা” অনেকে নিজের নাম ঠিকানাটাও সঠিকভাবে লিখতে পারেনা, অনেকটা নির্লজ্জ দু কান কাটা বেহায়া রমজানের মতো ।কিন্তু বুক চিতিয়ে মাঞ্জা মেরে হাঁটে রাস্তার মাঝখান দিয়ে।

  • Save

এদের কে“লিখতে বললে ভবের পাড়া , লিখে ফেলেন বাপের ..ড়া”। এদের মূল লক্ষ্য হলো এলাকার মাদক, স্বর্ণ, অস্ত্র, চোরাকারবারী, সুদখোর তথা দাদন কারবারী, ভূমিদস্যূ, জমি জালিয়াতি চক্র ও যাবতীয় দু নম্বর জগতের হয়ে গলাবাজী, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও টাকার বিনিময়ে দিনকে রাতে রূপান্ত্রিত করা, থানা ও ক্যাম্পে ভালো মানুষ ধরিয়ে দিয়ে ধৃত ব্যক্তির বাড়ি থেকে টাকা কালেকশন করে ছাড়িয়ে এনে টু পাইস ধান্দা করে চায়ের দোকানে গলাবাজী করে নিজেকে “সবজান্তা গামছা ওয়ালার মতো” নিজেকে বিখ্যাত সাংবাদিক বা থানা পুলিশ সব তার পকেটে বলে নিজেকে জাহির করে থাকেন।

  • Save

আসলে অন্তসার শূন্য এসব মাকাল ফলদের ভিতরে যে কোনো বস্তু নেই তা জানে অনেকেই , কিন্তু ভয়ে নিরীহ গ্রামবাসী এদের এড়িয়ে চলতেই ভালোবাসেন। কারণ দু নাম্বার অর্থ পিশাচ কতিপয় পুলিশের সাথে আঁতাত করে কখন কাকে কোন পেন্ডিং মামলায় চালিয়ে দেবে তা জানেনা স্বয়ং দেবতারাও।দালালী চাটুকারী চামচামি আর তোষামদই এদের  এদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন।কারো বলার মতো বা পরিচয় দেয়ার মতো কোনো লিগ্যাল পেশা নেই।নেই টিউশনি করার ক্ষমতাও।

তবে কেনো যত্রতত্র এসব ভূঁইফোড় সাংবাদিকরা এসব কথিত প্রেসক্লাব গড়ে তুলছে?

এ বিষয়ে দৈনিক “প্রথম আলো, দৈনিক সমকাল”সহ দেশের বেশকিছু শীর্ষ সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবৃন্দের সাথে কথা বললে, তাঁরা বলেন জেলার বাইরে যা আছে সবই ভূয়া।প্রতি জেলাতে একটি করে প্রেসক্লাব বা সাংবাদিকদের সংগঠণ থাকবে, এটিই নিয়ম।

দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের তারকা পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার জাহিদুল ইসলাম বলেন, হাটে বাজারে যারা এসব প্রেসক্লাব করেছে, তা সম্পূর্ণ অনৈতিক, আমার কাছে সরকারি নির্দেশ আসলে আমি ২৪ ঘণ্টার মধ্যৈই সব উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিব।

 একই এলাকার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, আমার কাছেও এসব কথিত প্রেসক্লাবের নামে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ আছে, আমি শুধু উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।

  • Save

দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের একাধিকবার শ্রেষ্ঠ পত্রিকা ও শ্রেষ্ঠ সম্পাদকের পুরষ্কারে ভূষিত হওয়া আমার ভিজে স্কুলের ক্লাস মেট বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দেশসেরা আবৃত্তিকার সরদার আল আমিন বলেন, প্রতি জেলায় একটি প্রেসক্লাব বা সাংবাদিক সংগঠন থাকাটাই যুক্তিযুক্ত। এতে সাংবাদিক সংগঠন যেমন মজবুত ও সু-সংগঠিত হবে, তেমনি সাংবাদিকদের মানমর্যাদা ও ভাতৃত্ববোধও বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য দেশের ৬৪ জেলার ন্যায় উপজেলাসহ শুধু চুয়াডাঙ্গাতেই রয়েছে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের কথিত প্রেসক্লাব, যেমন সরোজগঞ্জ প্রেসক্লাব, ভালাইপুর প্রেসক্লাব, আসমানখালী প্রেসক্লাব, হাটবোয়ালিয়া প্রেসক্লাব, জামজামি প্রেসক্লাব, কার্পাসডাঙ্গা প্রেসক্লাব, কুড়ুলগাছী প্রেসক্লাব, উথলী প্রেসক্লাব, আন্দুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাব, হাসাদহ প্রেসক্লাব, হিজলগাড়ী প্রেসক্লাব ইত্যাদি।  

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap