পেঁয়াজের পাইকারি আর খুচরার মধ্যে বিস্তর ফারাক

< 1 min read

অর্থনীতিক প্রতিবেদকঃ

ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে মিয়ানমার ও মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। এর প্রভাব পাইকারি বাজারে ঠিকই পড়েছে। কিন্তু খুচরা বাজারে এ প্রভাবের নূণ্যতম চিহ্ন মাত্র নেই। ক্রেতারা অভিযোগ করে বলছেন- প্রায় আগের দামেই বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। ঘাটতির কথা বলে এখনও কেজিতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নিচ্ছেন বিক্রেতারা। আদা ও রসুন বিক্রির ক্ষেত্রেও বেশ বৈষম্য লক্ষ করা গেছে। হচ্ছে খুচরা ও পাইকারি বাজারের মধ্যে বড় ব্যবধানে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্যই পেয়েছে আমাদের প্রতিবেদকরা।

রাজধানীর পাইকারি বাজারের অন্যতম শ্যামবাজারে ঘুরে দেখা যায়, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, আর মিসর থেকে আসা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। দেশি পেঁয়াজ, বিক্রি হচ্ছে (আকারভেদে) ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৮ টাকার মধ্যে।

এ বাজারে পাইকারি দেশি রসুন (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে। আর চায়না রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা। একইসঙ্গে আদা বিক্রি হচ্ছে ১১৩ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে। অথচ খুচরা বাজারে এর কোনো প্রতিফলন নেই।

শুক্রবার দিনভর রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, খিলগাঁও রেলেগেট বাজার, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে আমদানি করা অন্য সব পেঁয়াজও। এখানেও পাইকারি ও খুচরার মধ্যে বড় ব্যবধান লক্ষ করা গেছে।

গতকাল দিনভর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি রসুন ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। যা পাইকারিতে ৮০ থেকে ১২৫ টাকা। চায়না রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা পাইকারি বাজারে ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে। যা পাইকারি বাজারে ১১৩ থেকে ১১৫ টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link
Powered by Social Snap