Logo Design

বেগম রোকেয়ার ভাস্কর্যটি যাতে আগের জায়গায় স্থাপন করা হয় : ডিসি

2 minutes
আমাদের সংবাদ স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক জসিমউদ্দিন বলেছেন, বেগম রোকেয়ার একটি ভাস্কর্য ছিলো নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজে। অথচ এই ভাস্কর্যটা কিন্তু সংরক্ষণ করা যায়নি। এবং নতুন ভবন নির্মানের সময় এই ভাস্কর্যটা সরিয়ে কোথায় ফেলে রাখা হয়েছে সেটাও জানিনা।

আমি আমাদের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাছে অনুরোধ করবো, আপনি গিয়ে মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের সাথে কথা বলবেন যে, বেগম রোকেয়ার ভাস্কর্যটা কোথায় আছে?। আবার নতুন ভবন নির্মাণের পর যেন সেই ভাস্কর্যটা আগের জায়গায় স্থাপণ করা হয়। যাতে নতুন শিক্ষার্থীরা এসে বেগম রোকেয়ার ভাস্কর্যটা দেখতে পায়।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক বেগম রোকেয়া দিবস ২০১৯ উদযাপন ও জেলা পর্যায়ে জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বেগম রোকেয়ার জন্মের আগে এই নারায়নগঞ্জের মায়েরা ও বোনেরা যুদ্ধ করেছে এবং তারা সকলেই উদ্যোগী ছিলো কিন্তু অনেকেই ইতিহাসটা জানে না। যখন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন চলছিলো তখন এই নারায়ণগঞ্জের মায়েরা তাদের স্বর্ণের হার হাতের বালা সব খুলে দিয়েছিলো এই বৃটিশদের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য। নেতাজী সুভাষবসুসহ অনেক বৃটিশ বিরোধী লিডাররা (নেতা) কিন্তু এই নারায়ণগঞ্জে এসেছিলো। এসব ইতিহাস কিন্তু আমাদেরকে জানতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা কয়েকজন জয়িতাকে খুঁজে পেয়েছি। এবং অনেক জয়িতা আমাদের মাঝে আছে তাদেরকে আমরা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করিনি। কারণ আমরা সরকারি প্রশাসন আবেদনের দিকেই তাকিয়ে থাকি জয়িতা খোঁজার জন্য। অথচ আমরা সারা বছর বুঝি না কোন মানুষটা কোথায় যুদ্ধ করে কিভাবে টিকে রইল এর ফলে হয় কি কয়েকজন মানুষইে আমরা পাই।
আজকে এই রূপগঞ্জের মাকে খুঁজে পেয়েছি কিন্তু এরকম আরো অনেক মা আছে যে আরো বেশি যুদ্ধ করেছে। আর এসব ইতিহাস যদি আমরা না জানাই, না বলি তাহলে নতুন প্রজন্মের মেয়রা কিভাবে যুদ্ধ করবে। এখন দেখা যায় পথের মধ্যে একজনে তাদের ইভটিজিং করে আর তারা হঠাৎ করে পড়ালেখা বন্ধ করে দেয়। তা করলে হবে না তাদের যুদ্ধ করা শিখতে হবে।
আলোচনা সভায় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কামিজা ইয়াসমিন’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য এড. নূরজাহান বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিমা বেগম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫জন জয়িতাকে সম্মাননা স্বারক দেয়া হয়।
Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap