Logo Design Logo Design Logo Design

শীতকে স্বাগত জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার গৃহবধূরা ডালের তৈরি বড়ি বানানো কাজে ব্যস্ততা

2 minutes
  • Save

আমাদের সংবাদ / চুয়াডাংগা প্রতিনিধি :

শীত মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা জেলা দামুডহুদা,জীবননগর,আলমডাংগা, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে গৃহবধূরা সুস্বাধু চাল কুমড়ার বড়ি তৈরি কাজে মহাব্যস্ততায় দিন পার করছেন।প্রতি বছরের শীতের শুরুতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের গৃহবধূরা চাল কুমড়ার বড়ি তৈরি করে থাকে।তা ছাড়া গ্রামের কিছু নারীরা বাণিজ্যিক ভিক্তিত্বে এই সুস্বাদু বড়ি তৈরি করে চুয়াডাঙ্গা শহর সহ আশ পাশের বেশ কয়েকটি বাজারে বাজারজাত করে থাকে ।বাড়ির মহিলারাই মূলত চাল কুমড়ার বড়ি তৈরি করে থাকে আর পুরুষেরা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে থাকে।বাজার থেকে মাষকলাই ও অ্যাস্কুর ডাল কিনে বাড়িতে এনে পানিতে ভিজিয়ে নরম করে পাটায় বেটে পাকা চাল কুমড়া মিশিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গ্রহবধূরা একত্রিত হয়ে হাতের সাহায্যে ঘুনির উপরে তৈরি করে বড়ি। বড়ি তৈরি শেষে সেগুলো বাড়ির ছাদের উপর অথবা টিনের চালে শুকাতে দেওয়া হয়।বড়িগুলো রোদে শুকিয়ে গেলে সেগুলোকে যতনো করে তুলে কেউ খাবারের জন্য ঘরে টিনের রাখে আবার কেউবা সেগুলো বাজারে বিক্রি করে থাকে ।বাজারে কুমড়ার বড়ির কদর থাকায় অনেক পরিবারের সদস্যরা এই বড়ি বিক্রি করে তাদের একটি বাড়তি আয়ের সুযোগ পেয়ে থাকে।

স্থানীয় বাজারে সুস্বাদু খাবার হিসাবে কুমড়ার বড়ির বেশ কদর আছে।ভোক্তরা বাজার থেকে কুমড়ার বড়ি ক্রয় করে বাড়িতে তেলে ভেজে বিভিন্ন তরকারিতে স্বাদের জন্য বড়ি দিয়ে তরকারি রান্না করে থাকে ।শীতের মৌসুম এলেই প্রতিটি গ্রাম পাড়া মহল্লায় নারীরা কুমড়ার বড়ি তৈরি করে থাকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা জীবননগর এলাকার মনোহরপুর, কাশিপুর,আকন্দবাড়িয়া, খয়েরহুদা,গ্রামের দলবদ্ধ ভাবে কুমড়ার বড়ি দেন। ,এই বড়ি তৈরিতে চাল কুমড়া আর মাষকলাইয়ের ডাউল লাগে ।এবং মাষকলাইয়ের ডাউল ছাড়াও অন্য ডালেও বড়ি তৈরি করা যায়।কিন্তু মাষকলাইয়ের ডাউল দিয়ে বড়ি তৈরি করলে বড়িটা অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে ।চাল কুমড়া দিয়ে বেশ কয়েক ধরনের বড়ি বানানো যায়।তার মধ্যে মিষ্ঠি কুমড়ার বীজ দিয়ে এক ধরনের বড়ি বানানো যায়।সেটাকে সাধানত মানুষ বীজ বড়ি বলে থাকে ।রোদে মচমচে কোরে শুকালে এর ভালো স্বাদ পাওয়া যায়।এদিকে অনেকে আছে যারা পরিবারের অন্যপেশার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য শীতের মৌসুমে কুমড়ার বড়ি তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে থাকে, কথা হয় উপজেলার খয়েরহুদা গ্রামের আলুজান,আব্দুর রহমানের স্ত্রী রোজিনা তিনি বলেন,প্রতি বছরেই শীতের শুরতেই বাড়িতে কুমড়ার বড়ি দিয়ে থাকে।তরকারি হিসেবেও খাওয়া হয়।
এবং সেগুলো শুকানোর পর চুয়াডাঙ্গা বাজার সহ নিজ গ্রামের বাজারেও বিক্রি করে থাকে যার ফলে সে একটি বাড়তি আয় করতে পারে ।কুমড়ার বড়ি নতুন হিসাবে প্রতি কেজি ২শ থেকে ২৫০ টাকা দরে ক্রেতাদের কাছে বিক্রয় করে থাকে।দিনে ৪ থেকে ৫ কেজি বড়ি বিক্রয় করে থাকে ।তাতে তার খরচ খরচা বাদে ৩শ থেকে ৪শত টাকা আয় করে থাকে ।জীবননগর, দামুড়হুদা, আলমডাংগা বাজারে কুমড়ার বড়ি ক্রয় করতে আসা দেখা যাচ্ছে।
Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap