গাইবান্ধা জেলায় হারাতে বসেছে বাশঁ ও বেত শিল্প।

0
201

মোঃ রোমান আকন্দ, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি। বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যের চাহিদা আর নেই বললেই চলে।গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে এই শিল্পটি। গ্রামীণ জনপদের মানুষ গৃহস্থালি, কৃষি ও ব্যবসা ক্ষেত্রে এমনকি অফিস-আদালত সহ সবখানেই ব্যবহার করত বাঁশ ও বেতের তৈরি সরঞ্জামাদি। বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বদলে গেছে সবকিছুই।

গাইবান্ধা জেলার একসময় ঐতিহ্যবাহী শিল্প ছিল বাঁশ ও বেত শিল্প। জীবিকা নির্বাহের প্রধান উৎস ছিল এই শিল্প। বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে এই শিল্প। এ-যুগে এসে এই শিল্পের কদর না থাকায় গ্রামগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় আকর্ষণীয় আসবাবপত্র।

 বাঁশ ও বেত শিল্পের তৈরি মনকাড়া বিভিন্ন জিনিসের জায়গা করে নিয়েছে স্বল্প দামের প্লাস্টিক ও লোহার তৈরি পণ্য। বর্তমানে দিন দিন পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় ভালো নেই এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত গুটি কয়েক কারিগররা। 

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গিদারী ইউনিয়নে বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি কুলা,চালন,ছাড়ু বিক্রি করতে আসা ব্যক্তিটি বলেন, বেতশিল্পের দুর্দিনে হাতে গোনা কিছু সংখ্যক পরিবার বেতশিল্পকে আঁকড়ে ধরে আছেন। অনেকে এ পেশা ছেড়ে অন্যপেশায় গেলেও পূর্বপুরুষের হাতেগড়া এই পেশাকে কিছুতেই ছাড়তে পারেননি তারা।

এছাড়াও তিনি আরও বলেন,প্রতিদিন তাদের তৈরি কিছু  শিল্প পন্য বাজার সহ গ্রাম-গঞ্জে নিয়ে ফেরি করলে, কিছু সৌখিন মানুষ আছে তাদের পণ্য কিনেন। বেলা শেষে যা বিক্রি হয় তা দিয়ে তরি- তবরকারি কিনে বাড়ি ফেরেন তারা। এভাবেই তাদের জীবন-জীবিকা চলে। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমুলের দাম বেশি হওয়ায়, স্বল্প আয়ের এ পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছ।

দিন দিন বিভিন্ন জিনিস-পত্রের মূল্য যেভাবে বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না এই শিল্পের তৈরি বিভিন্ন  পণ্যের মূল্য। যার কারণে কারিগররা জীবন সংসারে টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছেন।

তাই মাননীয় সরকার মহোদয় নিকট আকুল আবেদন তিনি যদি আমাদেরকে একটু সাহায্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে আমরা আর্থিক দিক দিয়ে লাভবান হবো।