ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে বলুহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সন্ত্রাসী হামলার শিকার

0
103
চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সন্ত্রাসী হামলার শিকার

অফিস ডেস্ক: ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর উপজেলার মেইন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন বলুহার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তার ছেলে হৃদয়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে লিমন হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম নামে দুইজনকে আটক করে।

জানা গেছে, বলুহর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সম্প্রতি গ্রামের একটি হেরিং রাস্তার কাজ শুরু করে। ওই রাস্তার ছবি উঠিয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন তার ফেসবুক আইডিতে অশালীন মন্তব্য করে। সেটি দেখার পর বলুহর বাসস্ট্যান্ডে চেয়ারম্যানের ছেলে হৃদয় আহম্মেদের সাথে লিমনের তর্কবিতর্ক হয়। এ সময় লিমন তার সহযোগী জাহাঙ্গীর আলম ও তার দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকা চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনকে তারা হাতুড়ি পেটা করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের ছেলে হৃদয় ঘটনাস্থলে গিয়ে জাহাঙ্গীর নামে লিমনের সহযোগীকে পিটিয়ে আহত করে। পরে হৃদয়কেও পিটিয়ে আহত করে লিমন হোসেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৩ জন আহত হন।

আহত বলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের মেয়ে আমাদের সংবাদকে জানান, আমার বাবা এবং আমার ভাইকে দুপুরে অতর্কিত পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলার জন্য সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তিনি আরো বলেন কোটচাঁদপুরে মাদক, জুয়া ব্যবসায়ী সন্ত্রাস লিমন আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চাইছিল। এছাড়াও লিমন সন্ত্রাসী ছাড়াও আলামিন, রাহুল আরো অনেকে আমার বাবার উপর হামলা চালায়।

ইউপি চেয়ারম্যানের মেয়ে তার বাবার উপর যারা হামলা চালিয়েছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, বলুহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন উপর সন্ত্রাসী হামলা চালাই। সবাই ক্ষমতাসীনদের পোষা সন্ত্রাসী। এরা প্রতিনিয়ত দিনেদুপুরে এমন সন্ত্রাসী হামলা চালায়

এই মামলার বিষয়ে কোটচাঁদপুর সার্কেল এসপি আমাদের সংবাদ কে জানান, মামলা চলমান মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। কোন অন্যায়কারী যত বড়ই ক্ষমতাশালী হোক রেহাই পাবেন না আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here