দর্শনার কেরু এন্ড কোম্পানির হিজলগাড়ি কৃষি খামারে দুই একর জমির আখ লুটপাট।

0
204

আব্দুল্লাহ বাশার-(বিশেষ প্রতিনিধি) : দর্শনার সুনামধন্য কেরু এন্ড কোম্পানির হিজলগাড়ি কৃষি খামারে ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন মনিরুল ইসলাম, বর্তমানে বদলি হয়ে অন্যত্র দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি হিজলগাড়ি কৃষি খামারের নীতিমালার মধ্যে থেকেই দুই একর জমি লিজ নেন,সেখানে তিনি নিজের প্রচেষ্টাতে আখ চাষ করেন, বি ব্লকে দুই একর জমি লিজ নিতে তিনার ৩৮ হাজার টাকা খরচ হয়। যেটা তিনি কেরু কোম্পানিতে পেইড করেছেন।
সম্পূর্ণ সিজেন তিনি বিভিন্ন লোক মারফত সেই আখের পরিচর্যা করেন।
কৃষি খামারের আখ রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব বর্তমানে যিনি খামার ইনচার্জ হিসেবে আছেন তিনার, ওয়াচ ম্যান হেড জহুরুল এবং ফসল দেখভাল করার দায়িত্ব বকুলের এছাড়াও সেখানে নৈশ প্রহরী নিয়োগ করা আছে।
সকলের আখ রক্ষণাবেক্ষণ করা হলেও সাবেক ইনচার্জ মনিরুল ইসলামের দুই একর আখ লুটপাট করেছেন,আখের অর্ধেক কেটে নিয়েছে।
বর্তমানে জমিতে যা পড়ে আছে সেই আখ কাটার খরচও উঠবে না। এতো বড় ক্ষতি কে করলো, সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে জানা যায় কেরুর হিজলগাড়ি কৃষি খামারে যারা নিয়োগকৃত আছে তাদের যোগসাজশে এই লুটপাট হয়েছে।

হিজলগাড়ি কৃষি খামারে দুপুর ১২ টার সময় উপস্থিত হয়ে কাউকে অফিসে পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায় সকাল নয়টা থেকে সকলের অফিসে থাকার কথা থাকলেও তিনারা ইচ্ছ মত অফিস করেন, কেউ এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই চলে যান, কেউ কেউ দুই তিন দিন পরে আসেন।
অফিসে কোনো কর্মচারী না পাওয়া গেলে ফার্ম ম্যানেজার সুমন সাহা এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ইতস্তত বোধ করে বলেন আমি মিটিংয়ে ডেকেছি তাই অফিসে কেউই নাই। আমাদের প্রশ্ন কেরুর এমডির কাছে মিটিং থাকলে যাবেন খামার ইনচার্জ।
কিন্তু ওয়াচ ম্যান হেড জহুরুল, বকুল তারা কোথায়,
এভাবে নিজেদের খেয়াল খুশি মত অফিস করছে তার কোনো সঠিক ব্যবস্থা নেই কেনো
আর সাবেক ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম এর আখের ক্ষতিপুরণ কে দেবে।

এখন সময় হয়েছে আখ কাটার, হিজলগাড়ি কৃষি খামারের সবাই আখ কাটায় ব্যস্ত। কিন্তু মনিরুল ইসলাম এর আখ কাটার আগেই কেটে নিয়েগেলো কারা এই প্রশ্নের জবাব দেবে কে। আর মনিরুল ইসলাম এর এই আর্থিক ক্ষতি কে পুষিয়ে দিবে…?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here