দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া খনি হতে আবার কয়ল উত্তোলনশুরু

0
319



মোঃ মোমিনুল ইসলাম দিনাজপুর বিশেষ প্রতিনিধি :

দিনাজপুর পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলন আবারো শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের গত ২০ দিন আগেই কয়লা উত্তোলন শুরু হলো।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে এই কয়লা উত্তোলন উদ্বোধন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ সাইফুল ইসলাম সরকার।

জানা গেছে, প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর পরীক্ষামূলকভাবে এই কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। ফলে কয়লা সংকটের কারণে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং উত্তরাঞ্চলে অতিরিক্ত লোডশেডিং হওয়ার যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠবে বলেও আশা করছেন খনি কর্তৃপক্ষ।

খনি সূত্রে জানাযায়, গত (১মে) খনির ১৩১০ নম্বর ফেইজ (কুপ) থেকে কয়লা উত্তোলন শেষ হলে, ওই কুপটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে পরিত্যক্ত ফেইজ থেকে নতুন ফেইজে যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও সংস্কার কাজ শেষ করে আগস্টের মাঝামাঝি খনির নতুন ১৩০৬ নম্বর ফেইজ থেকে কয়লা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা নির্ধারিত সময়ের ২০ দিন আগেই গত বুধবার পরিক্ষামূলকভাবে উত্তোলন শুরু করা হয়েছে।

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ সাইফুল ইসলাম সরকার আজকে বলেন, খনির পরিত্যক্ত ফেইজ থেকে নতুন ফেইজে যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও সংস্কার কাজের জন্য গত (১ মে) খনির ১৩১০ নম্বর ফেইজ (কুপ) থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ করা হয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অধিক জনবল নিয়োগের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২০ দিন আগেই ১৩০৬ নম্বর নতুন ফেইজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হলো।

তিনি আরো বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে যন্ত্রাংশ এ্যডজাষ্টম্যান্ট সহ সকল প্রক্রিয়া শেষে পুরোপুরি উত্তোলনে যেতে প্রায় সপ্তাহ খানেক সময় লাগতে পারে। খনিতে বর্তমানে ৪০ হাজার টন কয়লা মজুদ রয়েছে। আশা করা যায় পুরোপুরি উত্তোলন চালু হলে প্রতিদিন ২৮শ থেকে ৩ হাজার টন কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব হবে। এতে করে দেশের বিদুৎ খাতে যে জাতীয় ঘাটতি তা কিছুটা কমে আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন দিনাজপুর এর সর্বপ্রথম সংবাদ।