প্রাক্তন চক্ষু চিকিৎসক, খুলনা শিরোমনি চক্ষু হাসপাতাল, ডিগ্রি নেই।

0
432

আব্দুল্লাহ বাশার, বিশেষ প্রতিনিধি।। চক্ষু চিকিৎসার উপর প্রাতিষ্ঠানিক কোন ডিগ্রী নেই। নেই কোন সার্টিফিকেট। অথচ এরা চক্ষু চিকিৎসক। মানব দেহের অতি প্রযোজনীয় ও গুরুত্বপুর্ন অঙ্গ এরা চিকিৎসা করছেন প্রতিদিন। খুলনা শিরোমনি থেকে ডাক্তার এনে বছরে দুই এক বার করেন অপারেশন। এই কথিত চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় অনেকে চিরতরে অন্ধ হচ্ছেন। ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর মেইন বাসষ্ট্যান্ডে মাইক্রো ষ্ট্যান্ডের বিপরীতে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রোগী দেখেন মোঃ মনিরুজ্জামান। সরজমিনে তথ্যানুসন্ধানে গিয়ে জানাযায় মনিরুজ্জামান খুলনার শিরোমনি হাসপাতালে ডাক্তারের সহকারী হিসাবে চাকরি করতে গিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। কোন একাডেমিক ডিগ্রী নেই। কিন্তুু সাইনবোর্ডে দেয়া আছে প্রাক্তন চক্ষু চিকিৎসক, খুলনা শিরোমনি চক্ষু হাসপাতাল। প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন করে রোগী দেখেন। ১০০ টাকার ভিজিটে দেন প্রেসক্রিপশন। কোটচাঁদপুরের প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রের ডাক্তার মনিরুজ্জামান বলেন, আমি ১১ বছর শিরোমনি হাসপাতালে চাকরি করেছি। ডাক্তারের সাথে কাজ করেছি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই রোগী দেখি। কোন সমস্যা হয় না। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ও ডাঃ আব্দুর রশিদ আমার বিষয়ে জানেন। আমার সার্টিফিকেট যা আছে সব সঠিক। জানা গেছে, প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রের ডাক্তার ও মালিক মনিরুজ্জামান নিজেই।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান কোন সরকারি অনুমতি নেই তবে চাকরি করার সুবাদে একটা অভিজ্ঞতা সনদ আছে তার সেটা আমি দেখেছি। তবে সুমন কুমার বালা কে চিঠি দেওয়া হয়েছে তার চক্ষু চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ করার জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here