বেনাপোলে গরু চুরি করে জবাইয়ের সময় জনগণের হাতে ধরা

0
145

বেনাপোলে গরু চুরি করে জবাইয়ের সময় জনতার হাতে ধরা।

মো. রাসেল ইসলাম : গভীর রাতে গোয়াল থেকে গরু চুরি করে রাতেই কসাইয়ের কাছে বিক্রী করেন অর্ধেক দামে। আর কসায় রাতেই সে গরু জবাই করে মাংস বিক্রী করতে থাকে । এতেই কসাই ধরা পড়ে জনতার হাতে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেনাপোল পৌর এলাকায় বড়আঁচড়া গ্রামে চোরের সাথে কসাইয়ের এমন যোগ সুত্রে একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে । পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযুক্ত গরু চোর বেনাপোল পৌরসভার বড়আঁচড়া গ্রামের সুবাসের ছেলে শিমুল তার সাথে চোরায় গরু মাংস বিক্রেতা বেনাপোলের পাটবাড়ি গ্রামের সিরাজ কসাইয়ের ছেলে সেলিম কসায়।

গরুর মালিক সাজুল সরদার জানান, রাতে সেহেরি খাওয়ার পর তিনি তার একটা গরু খুঁজে পাচ্ছেন না। পরে তিনি স্বজনদের নিয়ে এলাকায় খুজতে বের হয়। এক পর্যায়ে তিনি জানতে পারেন শুধু শুধু সেখানে গিয়ে দেখতে পান বেনাপোল পৌরসভার নির্জন এলাকায় সেলিম কসাই গরুটি জবাই করছে। তিনি চামড়া দেখে নিজের গরু সনাক্ত করেন। এসময় কসাই সেলিমকে ধরলে সে স্বীকার করে বড় আচড়া গ্রামের সুবাসের ছেলে শিমুলের কাছ থেকে রাতে ২৫ হাজার টাকায় গরুটি কিনেছেন। চোরদের সাথে গরু ক্রেতাদের যোগসুত্র আছে বলে অভিযোগ তোলেন গরুর এ মালিক ও এলাকাবাসী।

প্রতিবেশিরা জানান, লোকটা দেখতে ভদ্রলোক হলেও গরু চোর শিমুল ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রয়েছে নানান অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের অভিযোগ। বাংলাদেশ সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ নকসা দলিল ভারতে পাচার কালে দুই বছর আগে শিমুলের বড় ভাই পলাশকে বিজিবি আটক করে । একেবার ভারত সীমান্ত সংলগ্ন বাড়ি হওয়ায় প্রশাসনের সহযোগিতায় দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সুবিধা দিয়ে একের পর এক এ পরিবারটি নানান অপরাধ মুলক কাজ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই রোকনুজ্জামান জানান, গরু চুরির ঘটনা সত্যতা পেয়েছি সেই সাথে গরু চুরি করে জবাইয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারে গিয়ে খোজ খবর নেওয়া হয়েছে। আমি এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।