শৈলকুপায় বখাটেদের অত্যাচারে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল এসএসসি পরীক্ষার্থী

0
134

আব্দুল্লাহ বাশার,, বিশেষ প্রতিনিধি।।বখাটেদের অত্যাচারে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল কুলসুম খাতুন(১৭) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। বিষপানে মারা যাওয়ার পর এমনটি অভিযোগ করেছে হতভাগা কুলসুমের রিক্সা চালক বাবা। তার অভিযোগ প্রতিবেশী তিন বখাটে নিজ ঘরে তার মেয়েকে লাঞ্চিত করার পর লোক লজ্জার ভয়ে সে বিষপান করে। ঘটনাটি ঝিনাইদহের শৈলকুপার ছোট ধলহরা গ্রামে। কুলসুম ছোট ধলহরা গ্রামের মো: আক্তার শেখের মেয়ে ও বরিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
কুলসুমের বাবা আততাফ শেখ বলেন, তিনি ও তার স্ত্রী গ্রামে মেয়েকে দাদা দাদীর কাছে রেখে চট্রগ্রাম রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

বরিয়া বালিকা বিদ্যালয় থেকে মেয়ে কুলসুম এবার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য কিছুদিন আগে ফর্ম পূরন করে। গত ২৮ মে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে তার দাদী আত্মিয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে একই গ্রামের প্রতিবেশী সাকামত মল্লিকের ছেলে মিন্টু মল্লিক(৪৫), মোস্তফা মোল্যার ছেলে কিবরিয়া(২৫) ও মজনু শিকদারের ছেলে রাজন শিকদার গত ২৮ মে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে নিজ ঘরে তাকে লাঞ্চিত করে। তখন কুলসুমের দাদা মকবুল শেখ প্রতিবাদ করলে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ কথা বখাটেদের পরিবারকে জানালে শনিবার সকালে তিন বখাটের পরিবারের সদস্যরা পূনরায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলে সে বিষপান করে। বিষপান করার পর কুলসুমকে শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে বুধবার রাতে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার দাবি প্রতিবেশী তিন যুবকের অত্যাচারে তার মেয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। তিনি এর বিচার চান।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. একেএম সুজায়েত হোসেন জানান পোকা মাকড় ও ঘাস মারা বিষ খেয়ে কুলসুম নামের এক শিক্ষার্থী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে চিকিৎসাধিন অবস্থায় বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় শৈলকুপা থানর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কুলসুমের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। কুলসুমের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।