৮ই মার্চ পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস

0
157

মোঃরোমান আকন্দ, গাইবান্ধা:পৃথিবীতে যা কিছু চির কল্যানকর অর্ধেক করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। এই শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রতি বছর উদযাপন করা হয় ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ বছরেও তার কম না। অনেক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রতিবছরের ন্যায় আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হয় নারী দিবস। আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর পূর্ন নাম কর্মজীবী নারী দিবস। এই কথা দ্বারা এই তাৎপর্য বহন করে যে পৃথিবীতে কিংবা সভ্যতার বিকাশ ঘটানোর পিছনে সর্বপ্রথম ও পথিকৃত অবদান নারীদের। নারীর কারনেই সভ্যতার অগ্রযাত্রা শুরু। নারীরা তাদের নিপুন হাতের ছোঁওয়ায় এ ধরনীকে করেছে প্রানবন্ত। এ সভ্যতার অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে নারী পুরুষের সমান অবদান রয়েছে। নারীকে বাদ দিয়ে যেমন পুরুষ কে কল্পনা করা যায় না তেমনি পুরুষকে বাদ দিয়েও নারীকে কল্পনা করা যায় না।নারীকে বাদ দিয়ে পুরুষের একক প্রচেষ্টায় এবং একক অংশগ্রহনের মাধ্যমে সমাজের সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। যুগে যুগে নারীরা অবহেলিত, লাঞ্ছিত ও শোষিত হয়ে আসছে। পুরুষশাসিত সমাজ ব্যবস্থায় কুসংস্কার, ধর্মীয় গোড়াপত্তন, বৈষম্যের বেড়াজালে নারীরা তাদের অধিকার বিসর্জন দিয়ে আসছে। তাইতো নারীদের সকল প্রকার লাঞ্ছনা-গঞ্জনা থেকে মুক্তির জন্য প্রতিবছর ৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস পালন করা হয়।

এই নারী দিবসের মাধ্যমে নারীদেরকে সার্বিক উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে চলছে।

জগৎ সংসারে নারীকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে হয়। একজন মা হতে হলে তাকে গর্ভে সন্তান ধারন করার পরে ও সূর্যের আলো দেখানোর পর একজন মা নারীর রুপ পায়। তারপরও নারীরা সমাজের করাল ছায়ায় আবদ্ধ হয়ে থাকে।স্তী,বোন,কন্যা সহ সকল সম্পর্কের বাঁধনে নারীরা সমাজের সাথে আবদ্ধ। তাইতো তারা সমাজের অর্ধেক অংশ। তাদেরকে রাষ্ট্রের শীর্ষ স্থান থেকে শুরু করে সমাজের সর্বনিম্ন স্থান পর্যন্ত স্বয়ংসম্পূর্ন ভাবে ক্ষমতায়ন ও শুভম বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

তাইতো অবহেলিত নারী সমাজকে অন্ধকারের করাল ছায়া থেকে সুদূর আলোর পথে নিয়ে আসার জন্য প্রতিবছর ৮ ই মার্চ বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

শুধু তাই নয় নারীদের তথা সমাজ,দেশ কিংবা রাষ্ট্রে তাদের আর্তনাদ আন্তর্জাতিক নারী দিবস যেন শুধু একটি দিনের জন্য না হয়, বরং প্রতিটি দিন-ই যেন হয় নারীর জন্য নারী অধিকার, আর উপযুক্ত সম্মানের। তাহলে গোটা বিশ্বের নারীরা হবে না আর অবহেলিত। পৃথিবী পরিনত হবে একটি সুন্দর ও সুগম বসুন্ধরায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here