নেত্রকোণায় একটি প্রভাবশালী মহলের উপর অন্যায়ভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে

0
261

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃনেত্রকোণা সদর উপজেলার ২নং মেদনী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দিগজান গ্রামের সনাতন ধর্মালম্বী নিরীহ সহজ সরল পাপুল চন্দ্র দাসের ২১ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।



গত ০২/০১/২০২২ তারিখে সকাল ৭ টার দিকে লিটন মিয়া গং পিতা মৃত বাদশা মিয়া ও তার সহযোগীরা ১৫/২০ জন মিলে রামদা, কিরিচ, কুদাল, শাবল, বাশের লাঠি নিয়ে পাপুল চন্দ্রের ২১ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে যায়।



এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পাপুল মিয়া নিরীহ ও শান্ত প্রকৃতির লোক। সে কারো সাথে কোন প্রকার খারাপ কথা বলতে আমরা কোনদিন শুনিনি। কিছুদিন যাব লিটন মিয়া তার জমি জোরপূর্বক দখল করার পাঁয়তারা করছিল। এই বিষয়টি জানাজানি হলে পাপুল চন্দ্র দাস আমাদের গ্রামের লোকদের বিষয়টি জানায়। তখন আমরা গ্রামের লোকজন বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য শালিশে বসি, কিন্তু লিটন মিয়া আমাদের কথা শুনেনি। এমন একজন সহজ, সরল, নিরীহ ও ভাল মানুষকে হয়রানী করা খুবই অন্যায় বলে গ্রামবাসীর দাবি। তারা লিটন মিয়াকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।



জমির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করায় পাপুল চন্দ্র বলেন এই জমিটুকু আমি একজনের কাছ থেকে ক্রয় করেছিলাম সে জমি দলিল করে দেওয়ার আগেই মারা যায়। তাই লিটন মিয়া জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে যেতে চায়। লিটন মিয়া জমির দালালি করে। জমির কোন জামেলা থাকলে সে টাকার বিনিময়ে একজনের জমি অন্য জনকে পাইয়ে দেয়ার চুক্তি করে। তার সাথে প্রভাবশালী অনেকেই জড়িত আছে। আমি নিরীহ মানুষ তাই আমি তাকে কিছু করতে এমনকি কথা বলতে পর্যন্ত সাহস পাচ্ছিনা।



২ জানুয়ারী জমি দখলের পর পাপুল চন্দ্র কয়েক জনকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, লিটন মিয়া (৪০) গ্রাম- দিগজান, দুলাল মিয়া (৪৫) পিতা মৃত হাসান উদ্দিন গ্রাম- ভদ্রপাড়া, আবুল কাশেম, টুটন মিয়া, সুজিত মিয়া, ছালিম, খোকন মিয়া, হাসেম চা বিক্রেতা।



এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহম্মেদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি ও জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।